ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

বাবার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি সম্পদের মালিক এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ

ads

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ২৬ বছর বয়সি আবদুল হান্নান মাসউদের সম্পত্তি তার বাবার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এছাড়া বাৎসরিক আয়ও বাবার চেয়ে তিন গুণ বেশি। তবে বাবার আয়ের উৎস কৃষি হলেও ছেলের আয়ের উৎস ব্যবসা।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে হান্নান মাসউদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ আসনে তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া বাবা ও ছেলের হলফনামায় বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।


সর্বশেষ জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে আবদুল হান্নান মাসউদের বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক মোট ২০ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫১ টাকার মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছেন; যেখানে আবদুল হান্নান মাসউদ ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৬ টাকার মোট সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেছেন।


হান্নান মাসউদ গত এক বছরে ব্যবসা করে ৬ লাখ টাকা আয় করলেও একই সময়ে তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক কৃষি খাত থেকে ২ লাখ টাকা ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানী বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় করেছেন।


নির্বাচনে বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) হয়ে একতারা প্রতীকে এবং ছেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন।


আবদুল হান্নান মাসউদের বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেশায় তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তার কাছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ব্যাংকে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫১ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ২৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্রেরও মালিক তিনি। হলফনামায় তিনি কৃষি ও অকৃষি খাতে মোট ১৬৮ শতাংশ জমির মালিক বলে উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় তথ্যের বিষয়ে আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেন, ‘আমার মোট সম্পত্তির বিবরণ উল্লেখ করেছি। এ বিষয়ে এর বেশি আমি আর কিছু বলতে চাই না।’

ads
ads
ads

Our Facebook Page